চুল পড়া বন্ধ করার প্রাকৃতিক উপাদান (তেল, স্যাম্পু ও ঘরোয়া উপায়)

আপনারা সবাই চুল পড়া নিয়ে অনেক টেনশন করেন? আসুন আজকে সেই টেনশন থেকে মুক্ত হওয়ার উপায় সম্পকে বিস্তারিত জানবো।  চুল পড়ার কারণ যদি আপনার জানা না থাকে তাহলে নিচের পড়াগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়ে জেনে নিন যেন আপনার ভবিষ্যতে কোন কাজে আসতে পারে। 

চুল পড়া বন্ধ করার প্রাকৃতিক উপাদান (তেল, স্যাম্পু ও ঘরোয়া উপায়)


চুল পড়া বন্ধ করার তেলের নাম কি?

জেনে নিন নিচের পড়া গুলোর মাধ্যমে আপনার উপকারে লাগবেঃ


চুল পড়া বন্ধ করতে নারকেলের তেল আমলকি তেল এবং রোজমেরি তেল ব্যবহার করা যেতে পারে এছাড়াও ভোজস উপাদান মিশ্রিত তেল যেমন কুমারিকা ,ভাটিকা এবং বিভিন্ন হারবাল তেলেও খুব কার্যকার। এন্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সমৃদ্ধ এই তেল চুল মজবুত করে এবং পড়া কমায়।

 এতে থাকার আইসেনোলক এসিড চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। আমলকি তেল এটি চুলের ঘনত্ব বাড়াতে এবং চুল মজবুত করতে সাহায্য করে খুব ভালোভাবে ।

 চুল পড়া রোধ করা এবং নতুন চুল গজানোর জন্য এটি একটি খুব ভালো প্রাকৃতিক সমাধান রেজমেরি তেল। অন্যান্য হারবাল তেল ভেজস উপাদান যেমন কুমারিকা এবং ভারটিকা যা বিভিন্ন ভেজস উপাদানের সমৃদ্ধ চুল পড়া রোধ করতে সহায়ক। 

চুল পড়া বন্ধের জন্য প্রাকৃতিক নানান অর্গানিক তেল পাওয়া যায় যা চুল মজবুত চুলের গোড়া শক্ত এবং চুল উজ্জ্বল করে।

 চুল পড়ার কারণ সমূহ কি কি 


জেনে নিন তাহলে পরে সতর্কতা অবলম্বন করতে পারবেন।

জীবন যাত্রার কারণ,, চুল ও মাথার ত্বকের সমস্যা,, অসুস্থতা ও চিকিৎসা ,অপর্যাপ্ত পুষ্টি মানসিক চাপ, হরমোনের পরিবর্তন এ গুলার মাধ্যমে চুল পড়া হয়ে থাকে। পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া এবং অন নিয়ন্ত্রিত জীবন যাপন চুল পড়ার সমস্যা বাড়িয়ে তুলতে পারে মাথার ত্বকের সংক্রমণ বা ভুল প্রসাধনী ব্যবহার ও চুল পড়ার কারণ হতে পারে কিছু রোগ যেমন ডায়াবেটিস, লুপাশ বা সিফিলিস এবং ক্যান্সারের মতো চিকিৎসার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হিসেবেও চুল পড়তে পারে।

 শরীরের ভিটামিন ও খনিজ পদার্থের অভাব বিশেষ করে ভিটামিন এ ডি এবং ই এর চুল পড়া কারণ হতে পারে । অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তা চুল পড়ার অন্যতম প্রধান কারণ। অনেক ক্ষেত্রে বয়স বাড়ার সাথে চুল পড়ার হার বেড়ে যায় যা বংশগত হতে পারে। চুল পড়ার অনেক কারণ রয়েছে

 যার মধ্যে রয়েছে বংশগত কারণ হরমোনের ভারসাম্যহীনতা অপুষ্টি যেমন ভিটামিন খনিজ লবণের অভাব মানসিক চাপ এবং বিভিন্ন রোগ এছাড়াও ভুল প্রসাধনী ব্যবহার কে মধ্যে কেমোথেরাপীর মত চিকিৎসা এবং অপর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রামও চুল পড়ার জন্য দায়ী।

 চুল পড়া বন্ধ করার শ্যাম্পুর নাম

চুল পড়া বন্ধ করতে কিছু শ্যাম্পু যেমন ক্লিনিক প্লাস স্ট্রং এন্ড লং হেলথ শ্যাম্পু, গার্নিয়ার ফ্রুকটিস গ্রো স্ট্রং শ্যাম্পু, এবং ভেগামোর জিআরও+ অ্যাডভান্সড রিপ্লেনিশিং শ্যাম্পু ব্যবহার করা যেতে পারে।

এছাড়া, আপনার চুলের ধরন অনুযায়ী সঠিক শ্যাম্পু বেছে নেওয়া উচিত, যেমন তৈলাক্ত চুলের জন্য TRESemmé ডিপ ক্লিন শ্যাম্পু ভালো কাজ করে। শ্যাম্পুর পাশাপাশি কন্ডিশনার ব্যবহার করা এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনও জরুরি। কিছু জনপ্রিয় শ্যাম্পু


  • ক্লিনিক প্লাস স্ট্রং এন্ড লং হেলথ শ্যাম্পু: এটি নিয়মিত ব্যবহারে চুল পড়া কমাতে সাহায্য কর/।
  • গার্নিয়ার ফ্রুকটিস গ্রো স্ট্রং শ্যাম্পু: এই শ্যাম্পুটি চুল ভাঙা এবং ঝরে পড়া কমাতে সহায়ক।
  • ভেগামোর জিআরও+ অ্যাডভান্সড রিপ্লেনিশিং শ্যাম্পু: এটি চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে এবং মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।
  • নিউট্রোজেনা টি/গেল থেরাপিউটিক শ্যাম্পু: এই শ্যাম্পুটি মাথার ত্বকের সমস্যা সমাধানে কার্যকর হতে পারে।
  • গমের নির্যাসযুক্ত শ্যাম্পু: গমের নির্যাসযুক্ত শ্যাম্পু চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে।

শ্যাম্পু ব্যবহারের আগে কিছু বিষয় মনে রাখবেনঃ

আপনার চুলের ধরন অনুযায়ী শ্যাম্পু নির্বাচন করুন, কারণ সব শ্যাম্পু সবার জন্য উপযুক্ত নাও হতে পারে।
শ্যাম্পু করার পর অবশ্যই কন্ডিশনার ব্যবহার করুন, এটি চুলকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।
নিয়মিত সঠিক পুষ্টি (যেমন - ভিটামিন, খনিজ) গ্রহণ করাও চুলের স্বাস্থ্যের জন্য জরুরি।


ভালো মানের শ্যাম্পু - চুল পড়া রোধে শ্যাম্পু |

বাজারের সেরা শ্যাম্পুর নাম ও উপকারিতা চুলের যত্নে শ্যাম্পুর কোন তুলনা হয় । তবে শ্যাম্পু করার পর অব্যশই চুলে কন্ডিশনার ব্যবহার করবেন। ৩। ডাভ ডেইলি শাইন: ডাভ ডেইলি শাইন শ্যাম্পুতে মাইক্রোময়েশ্চারাইজ সিরাম আছে যা চুলকে রক্ষা করে থাকে। মাথার তালুর ময়লা, ধুলাবালি পরিষ্কার করে চুল পরিষ্কার করে থাকে। চুল পড়া বন্ধের উপযুক্ত শ্যাম্পু বাছাই ও ব্যবহারের সঠিক পদ্ধতি - পাইকারিঘর


চুল পড়া বন্ধ করার জন্য অনেক গুরুত্ব পুর্ণ উপাদান হল গমের শাম্পু।আমরা চাইলে গমের নির্জাস ওয়ালা শ্যাম্পু সপ্তাহে ৩-৪ দিন ব্যাবহার করতে পারি। আমি নিজে এই শ্যাম্পু অনেক দিন যাবত ব্যাবহার করতেছি এবং এটি ব্যাবহারের ফলে আমার মাথার চুল পড়া বন্ধ কর।ভিটামিন ডি খেলে চুল পড়া বন্ধ হবে! সঙ্গে আরও কয়েকটি খনিজ যোগ করলে নতুনভাবে গজায়।


চুলের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে হলে শুধু ভিটামিন ডি নয়, তার সঙ্গে ভিটামিন সি এবং বায়োটিন, জ়িঙ্ক, আয়রনের মতো খনিজের জোগান দিয়ে যেতে হবে।” নিয়ম করে কিছু দিন এই ভিটামিন এবং খনিজগুলি খেলে চুল পড়া কমে আসবে।

তৈলাক্ত চুলের জন্য ডিপ ক্লিন শ্যাম্পু - Magpiely


তৈলাক্ত চুলের জন্য TRESemmé ডিপ ক্লিন শ্যাম্পু, যারা পরিষ্কার এবং স্বাস্থ্যকর চুল পেতে চান তাদের জন্য নিখুঁত সমাধান। এই শ্যাম্পুটি বিশেষভাবে যাদের তৈলাক্ত চুল রয়েছে তাদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, কারণ এটি কার্যকরভাবে আপনার মাথার ত্বক থেকে অতিরিক্ত তেল এবং বের করে আনতে সাহায্য করবে।


 ছেলেদের চুল পড়া বন্ধ করার তেল কি ?


তা জেনে নিন:



ছেলেদের চুল পড়া বন্ধ করার জন্য নারকেল তেল, ক্যাস্টর তেল, সরিষার তেল এবং অলিভ অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। ভালো ফল পেতে এই তেলগুলো নিয়মিত (সপ্তাহে ২-৩ দিন) ব্যবহার করুন এবং প্রয়োজনে পেঁয়াজের রস বা রোজমেরি তেলের মতো অন্যান্য উপাদান মিশিয়ে নিতে পারেন।


চুলের জন্য উপকারী তেল


নারকেল তেল: এটি চুলের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ই এবং ফ্যাটি অ্যাসিড চুলকে মজবুত ও ঝলমলে করে তোলে। সপ্তাহে ২-৩ দিন এটি ব্যবহার করলে চুল পড়া কমে যায়।


ক্যাস্টর অয়েল: নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে এবং চুল পড়া কমাতে কার্যকর।


সরিষার তেল: এতে থাকা আলফা-ফ্যাটি অ্যাসিড চুলের জন্য ভালো এবং নিয়মিত ব্যবহারে চুল পড়া কমে আসে। অলিভ অয়েল: এটি আধুনিক পুরুষের মধ্যে জনপ্রিয় একটি তেল। রোজমেরি তেল: কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, এটি ডিএইচটি (DHT) হরমোন কমাতে সাহায্য করে যা চুল পড়ার জন্য দায়ী। তিলের তেল: এটি একটি প্রাচীন আয়ুর্বেদিক সমাধান যা চুলের জন্য উপকারী।


ব্যবহার ও যত্নের নিয়মনিয়মিত ব্যবহার: সপ্তাহে অন্ততদুই থেকে তিন দিন চুলে তেল লাগান।


ম্যাসাজ: তেল লাগানোর সময় আলতোভাবে মাথার ত্বক ম্যাসাজ করুন। এতে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং চুল ফলিকল সুস্থ থাকে।

অন্যান্য উপাদানের সাথে মিশ্রণ: নারকেল তেলের সাথে পেঁয়াজের রস মিশিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে। ক্যাস্টর অয়েলও নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়।

তেল ধোয়ার আগে: তেল লাগানোর অন্তত ৩-৪ ঘন্টা পর শ্যাম্পু করুন, এতে তেল ত্বকে ভালোভাবে মিশে যেতে পারে।

আঁচড়ানো: তেল লাগানোর পরপরই চুল আঁচড়াবেন না। তেল ত্বকে প্রবেশ করার জন্য সময় দিন।


সুষম খাবার: প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার, যেমন মাছ, মাংস এবং ডাল খান, যা চুলের স্বাস্থ্যের জন্য জরুরি।


ছেলেদের চুল পড়া রোধের সহজ উপায় - হাল ফ্যাশন


চুল পড়া কমাতে হলে তেলের বিকল্প আর কিছু নেই। সময় করে নিয়মিত (সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন) চুলে তেল লাগালে চুল পড়া রোধ ও নিরাময়—দুটিই সম্ভব। এ জন্য সবচেয়ে ভালো হলো নারকেল ও ক্যাস্টর তেল।

চুল পড়া বন্ধ করার ঘরোয়া উপায়? 


জেনে নিন নিচের পড়া গুলোর মাধ্যমে।


চুল পড়া বন্ধ করতে নারিকেল তেল, আমলকী, অ্যালোভেরা এবং পেঁয়াজের রস ব্যবহার করা যেতে পারে। নিয়মিত তেল মালিশ, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত ঘুম এবং স্ট্রেস কমানোর মাধ্যমেও চুল পড়া নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।


তেল মালি নারিকেল বা ক্যাস্টর অয়েল: সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার হালকা গরম করে নারিকেল বা ক্যাস্টর তেল দিয়ে মাথার ত্বকে ১০ মিনিট ম্যাসাজ করুন, যা রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে।

অন্যান্য তেল: বাদাম তেল বা আমলকী তেলও ব্যবহার করতে পারেন।
নারিকেল দুধ: নারিকেল দুধ দিয়ে মাথার ত্বক ম্যাসাজ করাও উপকারী।


প্রাকৃতিক উপাদান

  • অ্যালোভেরা: অ্যালোভেরা জেল বা জুস সরাসরি মাথার ত্বকে লাগিয়ে ম্যাসাজ করুন। ১-২ ঘণ্টা পর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
  • আমলকী: আমলকীর রস বা তেল মাথায় লাগান। এটি চুল মজবুত করতে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
  • পেঁয়াজের রস: পেঁয়াজের রস ব্যবহার করা একটি কার্যকর ঘরোয়া উপায়।
  • জবা: জবা ফুলের পাপড়ি ও পাতার পেস্ট তৈরি করে মাথার ত্বকে লাগান।


অন্যান্য টিপস
  • স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস: প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার যেমন ডিম, মাংস, ডাল ইত্যাদি চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক।
  • পর্যাপ্ত ঘুম: পর্যাপ্ত ঘুম এবং স্ট্রেস কমাতে ব্যায়াম করুন।
  • হিট স্টাইলিং এড়িয়ে চলুন: অতিরিক্ত তাপ এবং রাসায়নিক স্টাইলিং এড়িয়ে চলুন।
  • সালফেট-মুক্ত শ্যাম্পু: চুলের প্রাকৃতিক তেল ধরে রাখতে সালফেট-মুক্ত বা হালকা শ্যাম্পু ব্যবহার করুন।
  • মেথি: মেথি পেস্ট ব্যবহার করাও একটি ভালো উপায়।


চুল পড়া ঠেকাতে পারে রান্নাঘরের এই ১০টি উপাদান 



চুল পড়া: কারণ, চিকিৎসা এবং কিভাবে প্রতিরোধ করা যায়।স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস প্রাকৃতিকভাবে চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে। নারকেল বা ক্যাস্টর অয়েল দিয়ে নিয়মিত স্ক্যাল্প ম্যাসাজ করলে তা রক্ত প্রবাহকে উদ্দীপিত করে। অতিরিক্ত তাপ স্টাইলিং এবং কঠোর রাসায়নিক এড়িয়ে চলুন।দ্রুত চুল গজানো ও বৃদ্ধির ৮ কার্যকর উপায় * আপনি যত স্বাস্থ্যকর খাবার খাবেন, আপনার চুলের ফলিকল ততই ভালো থাকবে। বিশেষ করে ডিম, মাংস বা ডালের মতো প্রোটিনের কোনো বিকল্প নেই।


চুল পড়া নিয়ন্ত্রণে আমলকি বেশ কার্যকর। কয়েক টুকরো শুকনো আমলকি নিয়ে পানিতে সিদ্ধ করুন। পুরোপুরি সিদ্ধ হয়ে গেলে এগুলো ম্যাশ করুন এবং একটি পাল্পি পেস্ট তৈরি করুন। এই মিশ্রণটি মাথার ত্বকের পাশাপাশি চুলের গায়েও প্রয়োগ করতে পারেন।

 মেয়েদের চুল পড়া বন্ধ করার উপায়


মেয়েদের চুল পড়া বন্ধ করতে নারকেল তেল বা ক্যাস্টর অয়েল দিয়ে মাথার তালুতে ম্যাসাজ করুন, পেঁয়াজের রস এবং গ্রিন টি ব্যবহার করুন, এবং ভিটামিন ও খনিজ সমৃদ্ধ সুষম খাবার খান। অতিরিক্ত তাপ বা রাসায়নিকযুক্ত স্টাইলিং এড়িয়ে চলুন এবং নিয়মিত চুল পরিষ্কার রাখুন।


ঘরোয়া ও প্রাকৃতিক উপায়


তেল দিয়ে ম্যাসাজ: উষ্ণ নারকেল বা ক্যাস্টর অয়েল দিয়ে মাথার তালুতে আলতো করে ম্যাসাজ করলে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং চুলের ফলিকলে পুষ্টি যোগায়।

পেঁয়াজের রস: পেঁয়াজে থাকা সালফার চুলের বৃদ্ধি বাড়াতে সাহায্য করে। পেঁয়াজের রস চুলে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন।

গ্রিন টি: ঠান্ডা গ্রিন টি মাথার তালুতে লাগালে চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে।

ডিমের মাস্ক: ফেটানো ডিম চুলে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেললে চুল শক্তিশালী হয়।

মেথি: এক রাত ভিজিয়ে রাখা মেথি বীজ পেস্ট করে মাথার ত্বকে লাগান।

অ্যালোভেরা জেল: মাথার ত্বকে অ্যালোভেরা জেল লাগালে প্রদাহ কমে এবং চুলের বৃদ্ধি ঘটে।

টক দই: টক দই প্রোটিনের ভালো উৎস, যা চুলের জন্য উপকারী।

জীবনযাত্রায় পরিবর্তন

সুষম খাদ্যাভ্যাস: আয়রন, জিঙ্ক, এবং বায়োটিন সমৃদ্ধ খাবার যেমন গাজর, শাক, ডিম, এবং দুগ্ধজাত পণ্য খান।

তাপ ও রাসায়নিক এড়িয়ে চলুন: অতিরিক্ত তাপ দিয়ে চুল স্ট্রেইট করা, কোঁকড়া করা এবং ক্ষারীয় রাসায়নিকযুক্ত পণ্য ব্যবহার কম করুন।

নিয়মিত পরিষ্কার রাখা: চুল নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন এবং আলতোভাবে আঁচড়ান।

কখন ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন

যদি ঘরোয়া প্রতিকারে কাজ না হয় বা চুল পড়ার পরিমাণ খুব বেশি হয়, তাহলে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। হরমোনের সমস্যা, রক্তস্বল্পতা বা অন্য কোনো শারীরিক কারণে চুল পড়া হতে পারে, যার জন্য চিকিৎসার প্রয়োজন।


চুল পড়া: কারণ, চিকিৎসা এবং কিভাবে প্রতিরোধ করা যায়।


প্রাকৃতিকভাবে চুল পড়া কমাতে: * আয়রন, জিঙ্ক এবং বায়োটিনের উপর ফোকাস করে ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ একটি স্বাস্থ্যকর, সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন। নারকেল বা ক্যাস্টর অয়েল দিয়ে নিয়মিত স্ক্যাল্প ম্যাসাজ করলে তা রক্ত প্রবাহকে উদ্দীপিত করে।

 চুল পড়া প্রতিরোধের উপায় ?


চুল পড়া প্রতিরোধের জন্য নিয়মিত স্ক্যাল্প ম্যাসাজ করা, সুষম ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, অতিরিক্ত তাপ ও রাসায়নিক ব্যবহার এড়িয়ে চলা, এবং হালকা শ্যাম্পু ব্যবহার করার মতো উপায়গুলি অনুসরণ করা যেতে পারে। এছাড়াও, সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার নারকেল, আমলা বা বাদামের তেল দিয়ে হালকা গরম করে ম্যাসাজ করলে এবং আঁটসাঁট হেয়ারস্টাইল ও অতিরিক্ত রাবার ব্যান্ড ব্যবহার না করলে উপকার পাওয়া যায়।


জীবনযাত্রায় পরিবর্ত


স্ক্যাল্প ম্যাসাজ: সপ্তাহে অন্তত দুই থেকে তিনবার নারকেল, বাদাম বা আমলার মতো তেল হালকা গরম করে আঙুল দিয়ে ১০ মিনিট ম্যাসাজ করুন। এতে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং চুলের গোড়া মজবুত হয়।


চুলের যত্ন:


  • খুব জোরে চুল ঘষবে না এবং তোয়ালে দিয়ে আলতো করে চুল শুকিয়ে নিন।
  • সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার হালকা, সালফেট-মুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করুন।
  • চুল ধোয়ার পর আলতো করে আঁচড়ান।
হেয়ারস্টাইল:


  • খুব টাইট করে চুল বাঁধবেন না।
  • খুব আঁটসাঁট রাবার ব্যান্ড ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
  • ব্লো-ড্রায়ার বা অন্যান্য তাপ-ভিত্তিক স্টাইলিং টুলস কম ব্যবহার করুন।


স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস


পুষ্টি: ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন। আয়রন, জিঙ্ক, বায়োটিন, এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খান।

প্রোটিন: প্রোটিন চুলের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার যেমন -- ডিম, মাছ, মাংস, সয়াবিন, এবং ডাল খান।

অন্যান্য প্রাকৃতিক প্রতিকার

পেঁয়াজর রস সরাসরি চুলের গোড়ায় লাগিয়ে কিছু সময় পর ধুয়ে ফেলুন। এটি নতুন চুল গজাতে সাহায্য করতে পারে।


ভাতের মাড়: ভাতের মাড় স্প্রে বোতলে নিয়ে বা তুলোর সাহায্যে চুলের গোড়ায় লাগান। ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

চুল পড়া বন্ধ করার ঔষধের নাম কি?


 আপনার কি জানা আছে ,অবশ্যই জানা নেই তাই জানতে হলে নিচের পড়াগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।


চুল পড়া বন্ধ করার জন্য সবচেয়ে প্রচলিত ঔষধ হলো মিনোক্সিডিল (Minoxidil) এবং ফিনাস্টেরাইড (Finasteride)। এছাড়া, বায়োটিন (Biotin) এবং অন্যান্য ভিটামিন ও খনিজ সমৃদ্ধ সাপ্লিমেন্ট যেমন ভিটামিন ডি, ভিটামিন সি এবং জিঙ্কও সহায়ক হতে পারে। কোন ওষুধটি আপনার জন্য উপযুক্ত হবে তা জানতে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।


প্রচলিত ঔষধ


মিনোক্সিডিল: এটি চুলের বৃদ্ধি বাড়াতে এবং টাক পড়া কমাতে সাহায্য করে। এটি সাধারণত একটি টপিকাল দ্রবণ বা ফোম হিসেবে পাওয়া যায় এবং পুরুষ ও মহিলাদের উভয়ই ব্যবহার করতে পারেন।

ফিনাস্টেরাইড: এটি একটি ট্যাবলেট যা পুরুষদের প্যাটার্ন টাক পড়ার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি শরীরে DHT নামক একটি হরমোনের মাত্রা কমিয়ে কাজ করে, যা চুল পড়ার কারণ।

ভিটামিন এবং খনিজ

বায়োটিন: চুলের ফলিকল শক্তিশালী করতে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। এটি চুলের বৃদ্ধি ও ঘনত্ব বাড়াতে সহায়ক।

ভিটামিন ডি, সি, এবং জিঙ্ক: এই ভিটামিন এবং খনিজগুলি চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

অন্যান্য চিকিৎসা

হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট: গুরুতর ক্ষেত্রে, মাথার পেছন থেকে চুল এনে টাক পড়া জায়গায় প্রতিস্থাপন করা হয়।

গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ


কোন ওষুধ শুরু করার আগে একজন চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করা উচিত। তিনি আপনার চুল পড়ার কারণ নির্ণয় করে সবচেয়ে উপযুক্ত চিকিৎসা সুপারিশ করবেন।

ওষুধ ছাড়াও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, সুষম খাদ্য গ্রহণ এবং চুলের সঠিক যত্ন নেওয়াও জরুরি।

চুল পড়া বন্ধের ঘরোয়া উপায় | প্রাথমিকভাবে চুলের বৃদ্ধি এবং পুরুষদের মধ্যে টাকের চিকিৎসার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। এই ওষুধটি মাথার ত্বকের সামনের অংশে চুল পড়া এবং টাক পড়ার ক্ষতি করে না।

ভিটামিন ডি খেলে চুল পড়া বন্ধ হবে! সঙ্গে আরও কয়েকটি খনিজ যোগ করলে নতুন ...

চুলের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে হলে শুধু ভিটামিন ডি নয়, তার সঙ্গে ভিটামিন সি এবং বায়োটিন, জ়িঙ্ক, আয়রনের মতো খনিজের জোগান দিয়ে যেতে হবে।” নিয়ম করে কিছু দিন এই ভিটামিন এবং খনিজগুলি খেলে চুল পড়া কমে আসবে। চুলের ঘনত্ব বৃদ্ধি পাবে এবং জেল্লাও বজায় াকে। খারাপ খাদ্যাভ্যাস চুল পড়ার অন্যতম কারণ। এ জন্য সুষম খাদ্য গ্রহণ করতে হবে। প্রোটিন-সমৃদ্ধ খাবার চুল পড়া রোধে সাহায্য করে। ভিটামিন ই যুক্ত খাবার, সামুদ্রিক মাছ ডিম, দুধ চুলের জন্য খুবই উপকারী।


 চুল পড়া বন্ধ করার তেল তৈরি ?


কিভাবে তেল তৈরি করবেন সেটাই জানতে পারবেন নিচের পড়াগুলোর মাধ্যমে।


চুল পড়া বন্ধ করার জন্য আপনি নারকেল তেলকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করে বিভিন্ন উপাদান যেমন মেথি, কালোজিরা, জবা ফুল, এবং কারি পাতা মিশিয়ে একটি তেল তৈরি করতে পারেন। এই উপাদানগুলো একসাথে একটি পাত্রে হালকা গরম করে নিন এবং তারপর ছেঁকে একটি কাচের বোতলে সংরক্ষণ করুন।


উপাদান:


নারকেল তেল (১ কাপ),মেথি বীজ (৩-৪ চামচ, ৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখা),কালোজিরা (১ চামচ),জবা ফুল (৪-৫টি),কারি পাতা (এক মুঠো),পেঁয়াজ (১টি, কুঁচি করা),(ঐচ্ছিক) অ্যালোভেরা, নিম পাতা, জুই ফুল

প্রণালী:


একটি পাত্রে নারকেল তেল গরম করুন।

তেল গরম হলে ভিজিয়ে রাখা মেথি বীজ, কালোজিরা, জবা ফুল, পেঁয়াজ কুঁচি এবং কারি পাতা যোগ করুন।

মিশ্রণটি প্রায় ৩০ মিনিটের জন্য হালকা আঁচে গরম করুন, যতক্ষণ না উপাদানগুলো থেকে নির্যাস তেলে মিশে যায়।

মিশ্রণটি ঠান্ডা হলে একটি ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিন যাতে কোনো কঠিন অংশ না থাকে।

তেলটি একটি কাচের বোতলে ভরে সংরক্ষণ করুন।

ব্যবহারের নিয়ম:

  • চুলে এবং মাথার ত্বকে ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন।
  • কমপক্ষে এক থেকে দুই ঘণ্টা বা সারারাত রেখে দিন।
  • এরপর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।
  • চুল পরা বন্ধ করতে, মাথায় নতুন চুল গজাতে, লম্বা, ঘন চুল পেতে, চুল কালো।

 আমাদের শেষ কথা

চুল পড়া বন্ধের শেষ কথা হলো সুষম খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ও সঠিক স্ক্যাল্প ম্যাসাজ (যেমন গরম নারকেল বা বাদাম তেল দিয়ে), স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ, এবং চুলের প্রতি যত্ন। এর মধ্যে, স্বাস্থ্যকর খাবার যেমন প্রোটিন, ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া, মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখা, এবং অতিরিক্ত তাপ ও রাসায়নিক এড়ানো অত্যন্ত জরুরি। এর সাথে, প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শও নিতে পারেন।


চুলের যত্ন ও সমাধান


সুষম খাদ্যাভ্যাস: ডিম, মাংস, ডাল এবং সবুজ শাকসবজি থেকে প্রোটিন ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করুন, যা চুলের ফলিকলকে শক্তিশালী করে।


স্ক্যাল্প ম্যাসাজ: সপ্তাহে দুই-তিনবার নারকেল, বাদাম বা ক্যাস্টর তেল হালকা গরম করে মাথার ত্বকে মালিশ করুন। এটি রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে।


রাসায়নিক ও তাপ বর্জন: অতিরিক্ত হিট স্টাইলিং (যেমন স্ট্রেইটনিং বা কার্লিং) এবং কঠোর রাসায়নিকযুক্ত শ্যাম্পু এড়িয়ে চলুন।


স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ: মানসিক চাপ কমাতে ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম এবং শিথিলকরণ কৌশল অবলম্বন করুন।


প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার: পেঁয়াজের রস, টক দই বা গ্রিন-টি দিয়ে তৈরি মাস্কও উপকারী হতে পারে।


প্রফেশনাল পরামর্শ: যদি সমস্যা গুরুতর হয়, তবে একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করে সঠিক চিকিৎসা নিন।


মনে রাখবেন, চুল পড়া সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া এবং এর জন্য নিয়মিত যত্নের প্রয়োজন।


চুল পড়া বন্ধ ও ঘন করার উপায় - ঘরোয়া প্রতিকার ও কার্যকর টিপস।


সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার চুলে তেল ম্যাসাজ- নারকেল তেল, বাদাম তেল বা আমলা তেলে হালকা গরম করে স্ক্যাল্পে আঙুল দিয়ে ১০ মিনিট ম্যাসাজ করুন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ১