অনলাইনে ই-পাসপোর্ট আবেদন করার নিয়ম
অনলাইনে ই-পাসপোর্ট আবেদন করার নিয়ম
অনলাইনে এই ই-পাসপোর্ট আবেদন করতে হলে প্রথমে ই পাসপোর্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে আবেদন পত্র টি পূরণ করতে হবে ।এরপর আবেদন পত্রের সাথে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যেমন জাতীয় পরিচয় পত্র বা জন্ম নিবন্ধন এবং নির্দিষ্ট ফি জমা দিয়ে আবেদন জমা দিতে হবে।
অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন অ্যাকাউন্ট না থাকলে একটি নতুন একাউন্ট তৈরি করুন আর যাদের অ্যাকাউন্ট তৈরি করা আছে তাদের অ্যাকাউন্ট দরকার নেই নতুন করে করার। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে আবেদন পত্র টি পূরণ করুন এবং সাবমিট করুন। জাতীয় পরিচয় পত্র এবার জন্ম নিবন্ধনের অনলাইন কপি ভিসার কফি যদি থাকে এবং অন্যান্য জাতীয় কাগজপত্র আপলোড করুন।
আবেদনপত্রে কোন ছবি যুক্ত করার প্রয়োজন নেই এবং কোন কাগজপত্র সত্যায়ন প্রয়োজন নেই। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী পাসপোর্ট এর মেয়াদ পাঁচ বা দশ বছর এবং পৃষ্ঠা সংখ্যা ৪৮ অথবা ৭০ নির্বাচন করুন। ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে নির্ধারিত ফ্রি অনলাইনে পরিশোধ করুন এবং কত মেয়াদে নিচ্ছেন তার ওপর।
ফ্রি পরিষদের পর একটি সামারি পেজ পেমেন্ট করুন আপনার থানার আওতাধীন পাসপোর্ট অফিসে আবেদন পত্রের প্রিন্ট কপি ও অন্যান্য প্রয়োজনে মূল কাগজপত্রসহ জমা দিন । পাসপোর্ট অফিসে আপনার তথ্য যাচাই এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়া হবে। ভেরিফিকেশন সম্পূর্ণ হলে আপনি পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে পারবেন।
১৮ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য শুধুমাত্র 5 বছর মেয়াদ ৪৮ পৃষ্ঠার পাসপোর্ট প্রযোজ্য হবে। 15 বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে আবেদনকারীর পিতা ও মাতার একটি করে রঞ্জন ছবি আটা দিয়ে লাগিয়ে সত্যায়ন করতে হবে আপনি চাইলে সাইন করে আপনার পাসপোর্টে স্ট্যাটাস চেক করতে পারবেন।
নতুন পাসপোর্ট করার জন্য কত টাকা লাগে:"
৬৪ পৃষ্ঠা ৫ বছর মেয়াদ ,নিয়মিত৬৪০০ টাকা ,জরুরী ৮৭০০ টাকা ,অতি জরুরী ১২১০০ টাকা। ৪৮ পৃষ্ঠা ১০ বছরের মেয়াদ, নিয়মিত ৫৮০০ টাকা , জরুরি ৮১০০ টাকা ,অতি জরুরি ১০৫০০ টাকা। ৪৮ পৃষ্ঠা ৫ বছরের মেয়াদ, নিয়মিত ৪ হাজার ১০০ টাকা, জরুরি ৬৪০০ টাকা, অতি জরুরী ৮ হাজার ৭০০ টাকা।
নতুন ই পাসপোর্ট করার খরচ নির্ভর করে পাতার সংখ্যা এবং ডেলিভারির ধরনের ওপর ৪৮ পৃষ্ঠার সাধারণ পাসপোর্ট এর জন্য নিয়মিত ফ্রি ৪ হাজার টাকা জরুরী ৬ হাজার ৪০০ টাকা এবং অতি জরুরী ৮৯০০ টাকা। আসলে নতুন নতুন পাসপোর্টের টাকা নির্ভর করে আপনি কত বছর মেয়াদী ,নেবেন এবং কত পৃষ্ঠার সংখ্যা নেবেন।
নতুন পাসপোর্ট করার জন্য কি কি কাগজপত্র লাগবে?
তা জেনে নিন নিচের পাড়া গুলোর মাধ্যমে।
অনলাইন আবেদন প্রজেক্ট প্রিন্ট কপি এবং সামারি পেজ জাতীয় পরিচয়পত্রের এনআইডি ফটোকপি 20 বছরের ঊর্ধ্বে নাগরিকদের ।জন্য অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের অনলাইন কফি ইংরেজি ভার্সন।
পাসপোর্ট কি জমা দেওয়ার রশিদ পূর্বের পাসপোর্ট এর ফটোকপি যদি থাকে যে বাসায় থাকেন সে বাসার বিদ্যুৎ বিলের কফি। পূর্বের পাসপোর্ট এর ফটোকপি যদি থাকে। অপ্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য জন্ম নিবন্ধন সনদ ও বাবা-মায়ের জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি প্রয়োজন হয় ।
নতুন পাসপোর্ট করার জন্য অনলাইনে পূরণ করা আবেদন পত্রের প্রিন্ট কপি জাতীয় পরিচয়পত্রের( এনআই ডি) ফটো কপি অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের অনলাইন কপি এবং পাসপোর্ট ফি জমা দেওয়ার রশিদ প্রয়োজন পূর্বের পাসপোর্ট যদি থাকে এবং সে বাসায় থাকেন সে বাসার বিদ্যুৎ বিলের কফির সাথে নিয়ে যেতে হবে।
ই- পাসপোর্ট এর বায়োমেট্রিক প্রতিক্রিয়া,,
ই পাসপোর্ট এর বায়োমেট্রিক প্রতিক্রিয়া হলো পাসপোর্ট ধারের ছবি, আঙ্গুলের ছাপ এবং চোখের কর্নার মতো বায়োমেট্রিক তথ্য একটি ইলেকট্রনিক মাইক্রোপ্রসেসর চাপের সংরক্ষণ করা হয়।
এই তথ্যগুলো যাচাই করে পাসপোর্ট ধারের পরিচয় নিশ্চিত করা হয় সক্রিয় ডিভাইসের মাধ্যমে করা হয় প্রযুক্তি পাসপোর্ট কে আরো সুরক্ষিত করে তুলে এবং জালিয়াতি প্রতিরোধের সাহায্য করে
। আবেদনকারীর ছবি তোলা হয় এবং তার আঙ্গুলের ছাপ ও চোখের কর্নিয়ার বায়োমেট্রিক ডেটা সংগ্রহ করা হয়। একটি ডেটা একটি ইলেকট্রনিক চাপে সংরক্ষণ করা হয় যা পাসপোর্ট এর মধ্যে থাকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ই গেটের মতো ডিভাইসে এই চিপ স্ক্যান করা হয় এবং চিপে সংরক্ষিত বায়োমেট্রিক তথ্যের সাথে প্রকৃত ব্যক্তি তথ্যের মিল আছে কিনা তা যাচাই করা হয়।
এই পদ্ধতিতে পাসপোর্ট ধারীর পরিচয় দ্রুত এবং নির্ভুল ভাবে যাচাই করা যায় যা ক্রমন কে আরো সহজ করে তোলে আবেদন করার সময়। নতুন করে ছবি তোলা এবং বায়োমেট্রিক তথ্য এনরোল করতে হয়। আগের পাসপোর্ট এর ছবি নতুন পাসপোর্ট এর ব্যবহার করা যায় না।
অনলাইনে আবেদন পত্র পূরণ ও ফ্রী পরিশোধ করে ছবি তোলা এবং আঙ্গুলের ছাপ দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট তারিখে পাসপোর্ট অফিসে যেতে হয় সেখানে একজন কর্মকর্তা আপনার ছবি তুলবে আঙ্গুলের ছাপ নেবে এবং প্রয়োজন ফ্রি সংগ্রহ করবে। জাতীয় পরিচয় পত্র বা অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ আবেদনের কপি এবং পুরনো পাসপোর্ট এর কফি সাথে নিয়ে যেতে হবে।
, ব্যক্তিগত তথ্য কিভাবে সঠিকভাবে পূরণ করবেন
ব্যক্তিগত তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করার জন্য সমস্ত প্রয়োজনীয় ফিল্ড গুলো নির্ভুল ভাবে পূরণ করুন ।এবং প্রদত্ত নির্দেশকা গুলো মনোযোগী সহকারে পূরণ করুন নিশ্চিত করুন যে আপনি শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় তথ্যই প্রদান করছেন এবং সংবেদনশীল তথ্য যেমন পাসওয়ার্ড বা পিন শুধু বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্মে পূরণ করছেন।
নাম ঠিকানা ফোন নাম্বার এবং ইমেইল ঠিকানার মত তথ্য গুলো সঠিকভাবে পূরণ ও নির্ভুল লিখুন। শুধুমাত্র সেই তথ্যগুলো পূরণ করুন যা ফরমের জন্য প্রয়োজন অতিরিক্ত বা অপ্রয়োজনীয় তথ্য এড়িয়ে চলুন।
আপনার বর্তমান ঠিকানা এবং যদি থাকে তবে স্থানীয় ঠিকানা যদি স্থায়ী ঠিকানা থেকে ভিন্ন হয় তবে তা আলাদাভাবে উল্লেখ করুন। আপনার সমস্ত বৈধ ফোন নাম্বার এবং একটি সক্রিয় ইমেইল ঠিকানা অন্তর্ভুক্ত করুন এবং এটি গোপন রাখুন।
ফরম পূরণ করার পর আবার একবার ডেটা গুলো দেখে নিন কোন ভুল থাকলে তা সংশোধন করে নিন। কোন অজানা বা সন্দেহজনক ওয়েবসাইটে ব্যক্তিগত তথ্য দেবেন না শুধুমাত্র পরিচিত ও নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে প্রাপ্ত ফর্মে তথ্য পূরণ করুন।
১৮ বছরের নিচে পাসপোর্ট করার নিয়ম কি?
১৮ বছরের কম বয়সীদের পাসপোর্ট করার জন্য জন্ম নিবন্ধন সনদ ,বাবা-মায়ের জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি এবং অনলাইনে আবেদন পত্রের প্রিন্ট কপি প্রয়োজন হবে। অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য শুধুমাত্র ৫ বছর মেয়াদের ৪৮ পৃষ্ঠা পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়।
আবেদন প্রক্রিয়া অনলাইন হলেও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ পাসপোর্ট অফিসে যেতে হবে। অনলাইনে পূরণ করার আবেদন পত্রের প্রিন্ট কফি অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ ইংরেজি সংরক্ষণ এবং বাবা-মায়ের জাতীয় পরিচয় পত্রের (NID)মূল ও ফটোকপি।
শিশুর থ্রি-আর সাইজের ছবি ৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য ব্যাকগ্রাউন্ডের ছবি প্রয়োজন হতে পারে। আবেদন ফ্রি জমা দেওয়ার রশিদ যদি থাকে। পূর্বের পাসপোর্ট ও এর ফটোকপি যদি থাকে। ১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য ৫ বছর মেয়াদের ৪৮ পৃষ্ঠার পাসপোর্ট দেওয়া হবে ।
আবেদনপত্র অনলাইনে পূরণ করতে হবে কিন্তু কাগজপত্র জমা দিতে পাসপোর্ট অফিসে যেতে হবে । আবেদনপত্রের তথ্য নাম জন্ম তারিখ জন্মস্থান জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্ম নিবন্ধন সনদ অনুযায়ী হতে হবে এবং এই তথ্যগুলো পরিবর্তন করা যায় না আবেদন পত্র জমা দেওয়ার সময় কোন কাগজপত্র সত্যায়ন করা প্রয়োজন নেই। এইসব নিয়ম গুলোর মাধ্যমে ১৮ বছর বয়সের শিশুদের পাসপোর্ট করা হয়।
বিবাহিতদের পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে?
বিবাহিতদের পাসপোর্ট করতে জাতীয় পরিচয় পত্র (NID)বা জন্ম নিবন্ধন সনদ অনলাইন আবেদন পত্রের কফি, ফ্রি পরিশোধের রশিদ, বিদ্যুৎ বিলের কপি এবং পুরনো পাসপোর্ট এর কপি( যদি থাকে )প্রয়োজন। বিবাহিত হিসাবে পাসপোর্টের স্বামী /স্ত্রীর নাম যোগ করতে চাইলে অতিরিক্ত ভাবে বিবাহ বিচ্ছেদ বা নির্দিষ্ট তথ্য দিতে হবে।
এ পাসপোর্ট এর জন্য অনলাইনে আবেদন পত্র পূরণ করতে হবে আপনার( NID) কার্ড অথবা অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ এর ইংরেজি ভার্সন অনুযায়ী আবেদন পত্র পূরণ করতে হবে পাসপোর্ট ফি এর রশিদ অনলাইনে আবেদন করার পরিশোধের কফি সাথে নিয়ে যেতে হবে।
বিদ্যুৎ বিলের কপি যে বাসায় থাকেন তার বিদ্যুৎ বিলের কপি জমা দিতে হবে যদি আপনার পুরানো পাসপোর্ট থাকে তবে তার প্রথম ও শেষ পৃষ্ঠার কপি জমা দিতে হবে। যদি বিবাহিত হিসেবে পাসপোর্ট স্বামী স্ত্রীর নাম যোগ করতে চান তবে সেই সম্পর্কিত তথ্য এবং প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে ।অনলাইন আবেদন পত্রে কোন ছবি সংযুক্ত করার প্রয়োজন নেই ।
কারণ আবেদন প্রক্রিয়া চলাকালীন সময়ে ছবি তোলা হবে পাসপোর্ট আবেদন জমা দেওয়ার জন্য নির্ধারিত তারিখে পাসপোর্ট অফিসে উপস্থিত হতে হবে । এই প্রক্রিয়াটি মূলত অনলাইন ভিত্তিক এবং কোন কাগজপত্র সত্যায়নের প্রয়োজন হবে না।
ঠিকানা পূরণের সময় যেসব বিষয় খেয়াল রাখতে হবে" তা নিচে জেনে নিন?
ঠিকানা পড়নে সময় সঠিক তথ্য দেওয়া বিশেষ করে নাম জন্ম তারিখ এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্যের বানান ও বিবরণ সঠিক রাখা অত্যন্ত জরুরী ।এছাড়াও অনলাইনে পেমেন্ট করার সময় ট্রানজেকশন নাম্বারটি সংরক্ষণ করা এবং আবেদন পত্র জমা দেওয়ার আগে ও পরে সব তথ্যের ফটোকপি রেখে দেওয়া উচিত আপনার নাম ঠিকানা এবং ঠিক রাখুন
। যেমনটি আপনার আইডি বা জন্ম নিবন্ধন সনদে আছে। আপনার জন্ম নিবন্ধন সনদ আইডি কার্ড বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথির ফটোকপি সঙ্গে রাখুন আবেদন পত্রের সাথে জমা দেওয়া জন্য প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্রের একটি সেট নিজের কাছে রাখুন ।
আবেদন সম্পূর্ণ করার পর পুরো ফর্ম কি কয়েক কফি ফটোকপি করে নিজের কাছে রাখুন অনলাইনে পেমেন্ট করার সময় ট্রানজেকশন নাম্বারটি সংরক্ষণ করুন কারণ এটি পরে কাজে লাগবে। পেমেন্ট রশিদের দেওয়ার নির্দেশনা গুলো ভালোভাবে পড়ে নিন আবেদন করার সময় এপারমেন্ট তারিখটি ভালোভাবে দেখে নিন। এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিন আবেদন জমা দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় হাতে রাখে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।
আবেদন সাবমিট করার আগে যে সব বিষয় খেয়াল রাখতে হবে তা ভালোভাবে জেনে নিন?
আবেদনপত্র জমা দেওয়ার আগে নিশ্চিত করুন যে এটি নির্ভর এবং সম্পূর্ণভাবে পূরণ করা হয়েছে। এছাড়াও আবেদন পত্রের সাথে প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র যেমন শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র জাতীয় পরিচয় পত্র ছবি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট কফি সংযুক্ত করুন।
জমা দেওয়ার আগে সমস্ত তথ্য এবং সংযুক্ত কাগজপত্র পুনরায় ভালোভাবে যাচাই করুন। আবেদন পত্রের সমস্ত অংশ সঠিকভাবে পূরণ করছেন কিনা তার নিশ্চিত করুন। কোন তথ্য ভুল বা অসম্পূর্ণ থাকলে তা সংশোধন করুন আবেদন পত্রের সাথে প্রয়োজনীয় সকল রকম ডকুমেন্ট কফি সংযুক্ত করছেন কিনা তা দেখে নিন।
শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র জাতীয় পরিচয় পত্র ছবি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র সঠিকভাবে সংযুক্ত করুন যদি আবেদনটি অনলাইনে হয় তবে নিশ্চিত করুন যে আপনি কনফার্ম এবং সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন। আবেদন পত্রের সাথে প্রয়োজনীয় ফি জমা দিয়েছেন কিনা তা নিশ্চিত করুন যদি প্রয়োজন হয় যেমন ই পাসপোর্ট এর ক্ষেত্রে তা হলো অ্যাপার্টমেন্টের ইমেল এবং পেমেন্ট কপি দুটো নিশ্চিত করুন। জমা দেওয়ার আগে আবেদন পত্রটি ভালোভাবে একবার পড়ে নিন এতে কোন ভুল থাকলে তা সংশোধনের সুযোগ পাবেন।
শেষ কথা :অনলাইনেই পাসপোর্ট আবেদন করার নিয়ম,
অনলাইনে পাসপোর্ট আবেদনের জন্য প্রথমে ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে এবং নির্দিষ্ট ফি পরিশোধ করতে হবে ।এরপর আবেদন ও ফি প্রদানের রশিদ সহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যেমন জাতীয় পরিচয় পত্র জন্ম নিবন্ধন মূল ও পুরনো পাসপোর্ট নিয়ে নির্ধারিত দিনে পাসপোর্ট অফিসে উপস্থিত হতে হবে
। ওয়েব সাইটে গিয়ে অনলাইনে আবেদন পত্র পূরণ করুন জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ অনুযায়ী তথ্য দিতে হবে অনলাইনে পাসপোর্টটি পরিশোধ করুন ।পূরণকৃত আবেদন পত্র ফি জমা দেওয়ার রশিদ জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল ও ফটোকপি এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পুরনো পাসপোর্ট এর কফি সংগ্রহ করুন।
নির্ধারিত তারিখে ছবি তোলা ও বায়োমেট্রিক আঙুলের ছাপ দেওয়ার জন্য পাসপোর্ট অফিসে যান সেখানে অনলাইনে আবেদন ফরম কপি পরিশোধ এবং অন্যান্য প্রয়োজন তথ্য ও নথি জমা দিন। ই -পাসপোর্টে আবেদনের জন্য কোন কাগজপত্র সত্যায়ন করা প্রয়োজন নেই ।
আঠারো বছরের কম বয়সীদের জন্য তাদের পিতা-মাতা জাতীয় পরিচয় পত্র এবং অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ লাগবে ৬ বছর বা তার কম বয়সীদের জন্য ই-পাসপোর্ট এর পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি প্রয়োজন তবে বড়দের ক্ষেত্রে অফিসে ছবি তোলা হয় তাই আবেদন ফরম এর সাথে কোন ছবি লাগানোর প্রয়োজন নেই।
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url