আবেগ নিয়ন্ত্রণ ও মানসিক চাপ মোকাবেলার কৌশল
আবেগ নিয়ন্ত্রণ মানসিক চাপ মোকাবেলার কৌশল
শারীরিক কার্যকলাপ ,স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন ,সামাজিক সমর্থন সময়ের ব্যবস্থাপনা, পেশাদার সাহায্য, স-যত্ন ইত্যাদির মাধ্যমে আবেগ নিয়ন্ত্রণ ও মানসিক চাপ থেকে মুক্ত হওয়া যাবে। কঠিন অনুভূতি মোকাবেলা করতে না পারলে বা নিজেকে সামলাতে অসুবিধা হলে পেশাদার সাহায্য নেওয়ার জরুরী ।
যদি মানসিক চাপ বা আবেগের সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হয় তাহলে একজন পেশাদার মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ সাহায্য নেওয়া উচিত । নিজের জন্য সময় বের করা এবং পছন্দের কাজ করা। মানসিক চাপ কমায় একটানা কাজ না করে বিরত নেওয়া। জরুরী কার্যকর ভাবে সময় পরিচালনা করলে চাপ পূর্ণ পরিস্থিতি এড়ানো যায় কাজের একটা তালিকা তৈরি করা এবং কাজগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া মানসিক চাপ কমাতে পারে।
পরিবার বন্ধু বা সহকর্মীদের সাথে কথা বলা মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। আপনার অনুভূতি এবং চিন্তা-ভাবনা অন্যদের সাথে ভাগ করে নিলে তা হালকা হতে সাহায্য করে পর্যাপ্ত এবং মানসম্মত ঘুম মানসিক চাপ মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করা উচিত। সুস্থ থাকার জন্য জরুরী মননাশীলতা এবং ধ্যান ও অনুশীলন করলে বর্তমান মুহূর্তের ওপর মনোযোগ দেওয়া যায় এবং মানসিক চাপ কমে।
নিয়মিত ব্যায়াম এমনকি অল্প হাটাও মানসিক চাপ কমাতে এবং মন ভালো রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার সাথে সাহায্য করে। শারীরিক কার্যকলাপ এন্ড্রোফিন নিঃসরণ বাড়াই যা ভালোলাগার অনুভূতি দেয়।
আবেগ নিয়ন্ত্রণ ও মানসিক চাপ মোকাবেলা করতে এই কৌশল গুলো মানসিক চাপ কমাতে মানসিক সুস্থতা বাড়াতে এবং চাপ সম্পর্কিত স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি কমাতে অত্যন্ত গুরুত্ব সঙ্গে কাজ করে ।এবং সাহায্য করে তাই আমাদের উচিত এইসব কৌশল গুলো মেনে চলা। আবেগ ও মানসিক চাপ মোকাবেলা করতে আমাদের মনকে স্থির রাখতে হবে যেন কোনভাবেই অস্থিরতা বোধ না হয়।
আবেগ নিয়ন্ত্রণ ও মানসিক চাপ মোকাবেলা করতে এই কৌশল গুলো মানসিক চাপ কমাতে মানসিক সুস্থতা বাড়াতে এবং চাপ সম্পর্কিত স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি কমাতে অত্যন্ত গুরুত্ব সঙ্গে কাজ করে ।এবং সাহায্য করে তাই আমাদের উচিত এইসব কৌশল গুলো মেনে চলা। আবেগ ও মানসিক চাপ মোকাবেলা করতে আমাদের মনকে স্থির রাখতে হবে যেন কোনভাবেই অস্থিরতা বোধ না হয়।
অতিরিক্ত চিন্তা থেকে মুক্তি পাওয়ার সহজ উপায় জেনে নিন নিচের পড়া গুলোর মাধ্যমে
গ্ৰউন্ডিং কৌশল, ভালো চিন্তা গুলো লিখিয়ে ফেলুন, প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিন, সগ বা পছন্দের কাজে মনোযোগী, ঘুম ও খাদ্য অভ্যাস ,শারীরিক সক্রিয়তা এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম এগুলোর মাধ্যমে আপনার অতিরিক্ত চিন্তা থেকে মুক্ত হতে পারবেন।অতিরিক্ত চিন্তা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য পর্যাপ্ত ও নিয়মিত ঘুম নিশ্চিত করুন। সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাবার খান। অতিরিক্ত চিন্তা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য গ্ৰউন্ডিং অনুশীলন করতে পারেন এতে আপনার পঞ্চ ইন্দ্রিয় ব্যবহার করে বর্তমান মুহূর্তে অনেক কেন্দ্রীভূত করা হয়।
যেমন আপনার চারপাশে পাঁচটি জিনিস দেখুন চারটি জিনিস স্পর্শ করুন তিনটি জিনিস দুইটি জিনিস সুকুন এবং একটি জিনিস আস্বাদন করুন ।যেন আপনার চিন্তা দূর হয়ে যায়। অতিরিক্ত চিন্তার ফলে মানুষের শারীরিক অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়। যখনই খারাপ বা মন্দ চিন্তা আসবে তখন সচেতন ভাবে আনন্দদায়ক কিছু চিন্তা করার চেষ্টা করুন ।
এটি মানসিক শান্তি দিতে পারে এবং চিন্তা থেকে মুক্ত করতে পারে ।অতিরিক্ত চিন্তা গুলো একটি কাগজে লিখে ফেলুন এরপর সেগুলোকে ছোট ছোট কার্যকর পদক্ষেপে বিভক্তি করুন । এতে চিন্তা গুলো সংগঠিত হবে এবং নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে। তাহলে দেখবেন চিন্তা গুলো আপনার নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। এবং আর দুশ্চিন্তা মস্তিষ্কে আসবে না ।
অতিরিক্ত চিন্তা থেকে মুক্তির জন্য চিকিৎসকের সাহায্য নিতে পারেন। যদি অতিরিক্ত চিন্তা দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং আপনার দৈনন্দিন জীবনকে ব্যাহত করে , তাহলে একজন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ পরামর্শ নেওয়া উচিত। যে কাজগুলো আপনাকে আনন্দ দেয় যেমন বই পড়া বা ছবি আঁকা সেগুলোতে মনোযোগ দিন এটি আপনাকে মনকে বিক্ষোপ্ত হওয়া থেকে রক্ষা করবে।
অতিরিক্ত চিন্তা থেকে মুক্তির জন্য চিকিৎসকের সাহায্য নিতে পারেন। যদি অতিরিক্ত চিন্তা দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং আপনার দৈনন্দিন জীবনকে ব্যাহত করে , তাহলে একজন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ পরামর্শ নেওয়া উচিত। যে কাজগুলো আপনাকে আনন্দ দেয় যেমন বই পড়া বা ছবি আঁকা সেগুলোতে মনোযোগ দিন এটি আপনাকে মনকে বিক্ষোপ্ত হওয়া থেকে রক্ষা করবে।
এবং আত্মবিশ্বাসী করবে তাহলে আপনার চিন্তা দূর হবে পর্যাপ্ত ও নিয়মিত ঘুম নিশ্চিত করুন সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাবার খান । নিয়মিত হালকা ব্যায়াম যেমন হাটা বা দৌড়ানো মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। যখন খুব বেশি মানসিক চাপ অনুভব করবেন তখন গভীরভাবে শ্বাস নিন ৪-৭-৮ মেথড(৪ সেকেন্ড শ্বাস নিন, ৭ সেকেন্ড ধরে রাখুন, ৮ সেকেন্ড ধরে রাখুন) অনুসরণ করতে পারেন। এছাড়া হালকা হাঁটাচলা বা প্রকৃতির মাঝে কিছুক্ষণ সময় কাটানোর ও উপকারী তাহলে আপনি চিন্তা থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন।
মন খারাপ হলে নিজেকে ভালো রাখার কৌশল জেনে নিন নিজের
পড়াগুলো দ্বারা মন খারাপ হলে নিজেকে ভালো রাখার জন্য আপনাদের একান্তে সময় কাটানো উচিত নতুবা প্রিয়জনের সঙ্গে কথা বলুন এবং কাজে ও বিরতি থাকুন। প্রকৃতির কাছাকাছি থাকুন পছন্দের কাজ করুন তাহলে মনকে শান্ত রাখতে পারবেন। আবার আপনারা পছন্দের কাজ করতে পারেন অথবা পর্যাপ্ত ঘুম, স্বাস্থ্যকর খাবার , শারীরিক ব্যায়াম করেও মনকে এবং নিজেকে শান্ত করে রাখতে পারবেন এবং নিজের যত্ন নিতে পারবেন। মন খারাপ হলে সর্বপ্রথম নিজে যেটা করতে ইচ্ছা হচ্ছে সেইটা করুন যেন আপনার মন ভালো হয়ে যায়।
মন খারাপ ভালো রাখার জন্য স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করা, প্রিয়জনের সঙ্গে কথা বলা এবং পছন্দের কাজ করা গুরুত্বপূর্ণ যেমন পর্যাপ্ত ঘুম স্বাস্থ্যকর খাবার নিয়ম ভাবে করতে হবে। মন ভাল রাখতে পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি যা মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে তাতে আপনার মন খারাপ হবে না। সুষম ও পুষ্টিকর খাবার খান যা শরীর ও মন দুটোকে শক্তি যোগাবে ।
মন খারাপ ভালো রাখার জন্য স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করা, প্রিয়জনের সঙ্গে কথা বলা এবং পছন্দের কাজ করা গুরুত্বপূর্ণ যেমন পর্যাপ্ত ঘুম স্বাস্থ্যকর খাবার নিয়ম ভাবে করতে হবে। মন ভাল রাখতে পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি যা মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে তাতে আপনার মন খারাপ হবে না। সুষম ও পুষ্টিকর খাবার খান যা শরীর ও মন দুটোকে শক্তি যোগাবে ।
হালকা ব্যায়াম যেমন হাটা যোগব্যায়াম কিংবা দৌড়ানো করুন। এতে ক্লান্তি দূর হয়ে যাবে এবং মন ভালো থাকবে। গান শোনা রান্না করা বা ছবি আঁকার মত আপনার পছন্দের কাজগুলো ভালোভাবে করুন এবং নিজেকে ব্যস্ত রাখতে চেষ্টা করুন তাহলে দেখবেন আপনার মন অটোমেটিক ভালো হয়ে গেছে।
প্রকৃতির কাছে সময় কাটান তাহলে মনকে শান্ত রাখতে অনেক ভাবে সাহায্য করে কাজের একটি তালিকা তৈরি করুন এবং কাজের ফাঁকে ছোট বিরতি নিয়ে এই সময়ে হালকা কিছু করুন ।যেমন জাপান করা বা গান শোনা মন খারাপ হলে বিশ্বস্ত বন্ধু বা পরিবারের সদস্যের সাথে কথা বলুন তাদের সাথে নিজের অনুভূতি ভাগ করে নিলে হালকা বোধ করবেন। যদি সামাজিকতা এড়িয়ে চলতে চান তবে একা একা সময় কাটানো এবং নিজের অনুভূতি দিকে মনোযোগ দিন কেন এমন লাগছে তা বোঝার চেষ্টা করুন।
জীবনের ছোট ছোট আনন্দ বা ভালো মুহূর্ত গুলো উদযাপন করার চেষ্টা করুন। তাহলে মন ভালো থাকবে মন খারাপ হলে নিজেকে দোষ না দিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার জন্য নিজেকে সময় দিন । যদি মন খারাপ দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং কোনভাবেই ভালো লাগে না তবে পেশাদার মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ সাহায্য নিতে দ্বিধা করবেন ।
জীবনের ছোট ছোট আনন্দ বা ভালো মুহূর্ত গুলো উদযাপন করার চেষ্টা করুন। তাহলে মন ভালো থাকবে মন খারাপ হলে নিজেকে দোষ না দিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার জন্য নিজেকে সময় দিন । যদি মন খারাপ দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং কোনভাবেই ভালো লাগে না তবে পেশাদার মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ সাহায্য নিতে দ্বিধা করবেন ।
তাহলে বিশেষজ্ঞ আপনাকে দেখে অনেক রকম মদ দেবে কিংবা মেডিসিন দেবে যা আপনার উপকারে আসবে। আপনার মন যেটা বলছে সেটা বোঝার চেষ্টা করুন তাহলে আপনার মন খারাপ দূর হয়ে যাবে।
পরিবার ও কাছের চাপ আবেগ নিয়ন্ত্রণ করার উপায়
সীমা নির্ধারণ করুন ,যোগাযোগ করুন ও প্রত্যাশিত পরিস্থিতি মেনে নিন ,আবেগ প্রকাশ করুন, মানসিক সুস্থতার জন্য বিরতি নিন এবং স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করুন তাহলে পরিবারের ও কাচের চাপ আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা একদম সহজ হয়ে যাবে। গণনা করুন, মননশীলতা অনুশীলন করুন , চিন্তা পরিবর্তন করুন, দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেওয়া থেকে বিরত থাকুন তাহলে দেখবেন পরিবার ও কাছের চাপ আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়ে যাবে। এগুলা আপনি চেষ্টা করার মাধ্যমে বুঝতে পারবেন এগুলো কত টাকা দিয়ে একটি পদ্ধতি যা আপনার মস্তিষ্কে ছিল কিন্তু সেটা জানার চেষ্টা করেননি। পরিবার ও কাছের চাপ আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা একদমই সহজ যদি আপনার কাছে কঠিন হয়ে দাঁড়ায় তাহলে নিচের টিপস গুলো প্রয়োগ করতে পারেন।
যখন আপনি রেগে যান বা খারাপ অনুভব করেন তখন তৎক্ষণিকভাবে কোন প্রতিক্রিয়া দেখানো উচিত নয় কয়েক মুহূর্ত অপেক্ষা করুন নীতিবাচক চিন্তা গুলো ইতিবাচক দিক দিয়ে ভাবার চেষ্টা করুন। বর্তমান মুহূর্তে মনোযোগ দিন গভীর শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া এবং ধরনের মাধ্যমে মনকে শান্ত রাখতে পারেন ।সংখ্যা 1 থেকে 10 পর্যন্ত ভাবে শুনলে তা আপনাকে শান্ত হতে সাহায্য করতে পারে। এগুলোর মাধ্যমে আপনার পরিবার ও কাছের চাপ আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করবে।
যদি প্রয়োজন হয় তবে আপনি তাদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছেন না বলে তাদের কাছে খারাপ হয়ে গেছেন তাহলে তাদের প্রত্যাশাগুলো পূরণ করার চেষ্টা করুন । তারা কি বলছে তার শুনুন এবং আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে তাদের জানান যেমন আপনি পরবর্তী দিন দেখতে পাচ্ছেন এমনকি যদি উত্তরটি আমি জানি না হয় ।
জীবনের কিছু পরিস্থিতি আপনার নিয়ন্ত্রণে নেই এবং তা মেনে নিতে শিখুন। বিশ্বস্ত বন্ধু বা পরিবারের সদস্যদের সাথে আপনার অনুভূতি গুলো নিয়ে কথা বলুন এতে মন ভালো হবে একবার পরিবারের সাথে বাইরে বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করুন। নিয়মিত ব্যায়াম করুন স্বাস্থ্যকর খাবার নিয়ন্ত্রণে খুব কার্যকর। পরিবার কি বলছে সেটা বোঝার চেষ্টা করুন তাহলে আপনি আপনার গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন।
ভালোবাসা দুঃখ বেদনার মত রাগও একটি আবেগ ছোট কিংবা বড় বিভিন্ন ঘটনায় আমরা রাত প্রকাশ করি। কিন্তু এই আবেগ বেশি প্রকাশ পেলে নানান বিপত্তি তৈরি হয়। অনেকেই রেগে গেলে ভাঙচুর করেন এমনকি গায়ে হাত তুলে ফেলেন অতিরিক্ত রাগের প্রভাব পড়তে পারে ব্যক্তির জীবন সামাজিক ও পেশাগত জীবনে দেখা দিতে পারে এই রাগ নামক আবেগের।
রাগ কমানোর সহজ নিয়ম এবং কৌশল
ক্ষমা করতে শিখুন, বলার আগে সময় নিয়ে তাহলে দেখবেন রাগ অটোমেটিক কমে গেছে। দূরত্ব স্থান ত্যাগ করুন , কারো সাথে কথা বলার চেষ্টা করুন তাহলে দেখবেন রাগ কমবে। হঠাৎ বেশি রাগ করে ফেললে সেই সময় ওই স্থান দ্রুত ত্যাগ করার চেষ্টা করতে হবে যে মানুষটির ওপর আপনার রাগ তার কাছ থেকে কিছু সময়ের জন্য দূরে থাকলে কিছুক্ষণ পর রাগ নিজে থেকে কমে আসতে পারে নিজেকে পরাজিত মনে করবেন না হয় অবস্থান পরিবর্তন করুন যেমন আপনি দাঁড়িয়ে থাকলে বসে পড়ুন।ভালোবাসা দুঃখ বেদনার মত রাগও একটি আবেগ ছোট কিংবা বড় বিভিন্ন ঘটনায় আমরা রাত প্রকাশ করি। কিন্তু এই আবেগ বেশি প্রকাশ পেলে নানান বিপত্তি তৈরি হয়। অনেকেই রেগে গেলে ভাঙচুর করেন এমনকি গায়ে হাত তুলে ফেলেন অতিরিক্ত রাগের প্রভাব পড়তে পারে ব্যক্তির জীবন সামাজিক ও পেশাগত জীবনে দেখা দিতে পারে এই রাগ নামক আবেগের।
যদি রাগ ও প্রকাশিত থাকে থেকে যায় তবে প্রিয় মানুষের সঙ্গে কথা বলুন কেমন অনুভব করছেন সে সম্পর্কে বিশ্বস্ত কর সঙ্গে যেমন বাবা-মা প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে কথা বললে মনের ভার কমে যেতে পারে তবে এমন কাউকে বলা উচিত নয় যিনি আপনার অনুভূতিকে সম্মান করবেন না এমন কাউকে যদি খুঁজে না পান এবং পরিস্থিতি যদি আপনার নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকে তাহলে নিরবে একা অবস্থান করুন। রাগ নিয়ন্ত্রণের জন্য নিঃশ্বাসের ব্যায়াম বেশ পুরনো এবং কার্যকারি পদ্ধতি।
রাগ থেকে মনটাকে সরিয়ে নিঃশ্বাসের দিকে মনোযোগ দিতে হবে বুকভরা গভীর নিঃশ্বাস নিন সেটিকে কিছুক্ষণ ধরে রাখুন কিছুক্ষণ পর বাতাস ছেড়ে দিন এটি রাগ কমাতে অনেকভাবে সাহায্য করে। একটা পুরনো কৌশল রাগ কমানোর। রাতে নিজের মধ্যে পুষে না রেখে ক্ষমা করতে শিখুন সময় একটি শক্তিশালী হাতি আর আপনি যদি রাগ বা অন্যান্য নেতিবাচক অনুভূতিগুলোকে নিজের মধ্যে লালন করতে থাকেন তবে নিজের ভেতরের তিক্ততা আপনাকে আরো গ্রাস করবে।
মুহূর্তে এমন কিছু বলা উচিত নয় যার জন্য পরবর্তীতে অনুশোচনা করতে হয় রাগের মুহূর্তে আমরা এমন সব কথা বলে ফেলি যা পরিস্থিতিকে আরো সংকটময় করে তোলে কিছু বলার আগে নিজে চিন্তা করে নিন কয়েক মুহূর্ত ভাবনা আপনার এ কথা বা আচরণে আরেকজনের প্রতিক্রিয়া কি হতে পারে। তাহলে দেখবেন রাগ থেকে মুক্তি থাকবেন।
মানসিক চাপ কমাতে সময় ম্যানেজমেন্টের গুরুত্ব অনেক যখন আপনি আপনার সময়কে দক্ষতার সাথে পরিকল্পনা করেন তখন কাজের চাপ কমে আসে। এবং আপনি শান্তি ও সতেজ অনুভব করেন কাজের চাপ নিয়ন্ত্রণ করা মানসিক প্রশান্তি এনে দেয় ।
মানসিক শান্তির জন্য সময় ম্যানেজমেন্ট এর গুরুত্ব
মানসিক শান্তির জন্য সময় ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি মানসিক চাপ কমায়। উৎপাদনশীলতা বাড়ায় এবং জীবন নিয়ন্ত্রণ বোধ ফিরিয়ে আনে কার্যকর ভাবে সময় পরিচালনা করলে। আপনি গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো চিহ্নিত করতে পারেন, কাজের চাপকে অগ্রাধিকার দিতে পারেন এবং ব্যক্তিগত পেশাগত জীবনের ভারসাম্য আনতে পারেন। এবং লক্ষ্য অর্জন নিয়ে সহায়তা করে যা সামগ্রিকভাবে মানসিক শান্তি ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে ।মানসিক চাপ কমাতে সময় ম্যানেজমেন্টের গুরুত্ব অনেক যখন আপনি আপনার সময়কে দক্ষতার সাথে পরিকল্পনা করেন তখন কাজের চাপ কমে আসে। এবং আপনি শান্তি ও সতেজ অনুভব করেন কাজের চাপ নিয়ন্ত্রণ করা মানসিক প্রশান্তি এনে দেয় ।
মানসিক শান্তির জন্য সময় ম্যানেজমেন্টের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আপনি আপনার জীবন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেন। যা আপনাকে আরো বেশি আত্মবিশ্বাসী এবং ক্ষমতাবান করে তুলে।
স্পষ্টতা ও ফোকাস এর মাধ্যমে আপনার মানসিক শান্তি ফেরাতে সাহায্য করে যখন আপনি আপনার সময়ের সর্বোত্তম ব্যবহার সম্পর্কে স্পষ্ট হন তখন আপনি আরো মনোযোগী এবং উৎপাদনশীল হয়ে উঠুন । সময় ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আপনি কার জমিয়ে রাখা বা পরে করার অভ্যাস ত্যাগ করতে পারেন।
স্পষ্টতা ও ফোকাস এর মাধ্যমে আপনার মানসিক শান্তি ফেরাতে সাহায্য করে যখন আপনি আপনার সময়ের সর্বোত্তম ব্যবহার সম্পর্কে স্পষ্ট হন তখন আপনি আরো মনোযোগী এবং উৎপাদনশীল হয়ে উঠুন । সময় ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আপনি কার জমিয়ে রাখা বা পরে করার অভ্যাস ত্যাগ করতে পারেন।
যা দীর্ঘস্থায়ী উদ্বেগের কারণ হতে পারে এটি আপনাকে কাজ এবং ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে যাতে উভয় দিকে মনোযোগী দেওয়া যায়। মানুষের শান্তির জন্য সময় ম্যানেজমেন্টের গুরুত্বপূর্ণ কাজে মনোযোগী সময় ব্যবস্থাপনা আপনাকে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোতে মনোযোগ দিতে সাহায্য করে।
যেমন পড়াশোনা কাজ বা সামাজিকরণ উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি আপনার সময়কে সঠিক পরিচালনা করলে অল্প সময়ে বেশি কাজ সম্পূর্ণ করা সম্ভব। এবং আপনার উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায় যা আপনাকে সফল হতে সাহায্য করে যাতে আপনার মানসিক শান্তি ফিরিয়ে তাই বলা যায় সময় ম্যানেজমেন্টের গুরুত্ব অপরিসীম।
একটি সুপরিকল্পিত সময়সূচি আপনাকে বৃহত্তর লক্ষ্য অর্জনের সহায়তা করে এবং এটি আপনাকে আপনার জীবনের পথে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে ।সময় ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে আপনি মানসিক শান্তি এবং প্রশান্তি দুটোই অনুভব করতে পারেন।
একাকীত্ব ও হতাশা কাটানোর সহজ কৌশল
মানুষের জীবন ভিন্ন তাই নিজেকে অন্যের জীবনের সঙ্গে তুলনা করে হতাশা না হয়ে নিজের ভালো দিকগুলোর ওপর মনোযোগ দিন । তাহলে আপনার একাকীত্ব ও হতাশা দূর হবে স্পেশাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকুন । স্পেশাল মিডিয়া থেকে কিছুক্ষণের জন্য বিরতি নিন এটি আপনাকে ব্যস্ত জীবনে আরও বেশি মনোযোগী হতে এবং একাকিত্বের অনুভূতি কমাতে সাহায্য করবে।একাকীত্ব হতাশা কাটাতে নিজেকে অন্যের সাথে তুলনা করা বন্ধ করুন স্পেশাল মিডিয়া থেকে বিরত নিয়ে এবং শরীর চর্চা করুন। এছাড়া শখের চর্চা করা পছন্দের কাজ করা এবং অন্যদের সাহায্য করার মাধ্যমে এই অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
নিয়মিত শরীরচর্চা করা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী এটি হতাশা ও একাকীত্ব দূর করতে সাহায্য। করে বই পড়া গান শোনা বাগান করা বা অন্য কোন পছন্দের কাজ করার মাধ্যমে নিজের একাকীত্ব ও হতাশা দূর করা যায়। অন্যদের সাহায্য করা বা স্বেচ্ছাসেবী কাজ করার মাধ্যমেও একাকীত্ব দূর করা যায় এতে নিজের মধ্যে ভালো লাগার অনুভূতি তৈরি হয় নিজের সঙ্গে সময় কাটান মাঝে মাঝে নিজের পছন্দের জায়গায় ঘুরতে যান বা একা একা কোন ভালো রেস্তোরায় খেতে যান নিজের সঙ্গে এই সময় কাটানো একাকীত্ব দূর করতে সাহায্য করে ।
নিয়মিত শরীরচর্চা করা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী এটি হতাশা ও একাকীত্ব দূর করতে সাহায্য। করে বই পড়া গান শোনা বাগান করা বা অন্য কোন পছন্দের কাজ করার মাধ্যমে নিজের একাকীত্ব ও হতাশা দূর করা যায়। অন্যদের সাহায্য করা বা স্বেচ্ছাসেবী কাজ করার মাধ্যমেও একাকীত্ব দূর করা যায় এতে নিজের মধ্যে ভালো লাগার অনুভূতি তৈরি হয় নিজের সঙ্গে সময় কাটান মাঝে মাঝে নিজের পছন্দের জায়গায় ঘুরতে যান বা একা একা কোন ভালো রেস্তোরায় খেতে যান নিজের সঙ্গে এই সময় কাটানো একাকীত্ব দূর করতে সাহায্য করে ।
সামাজিক যোগাযোগে বাড়ান পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে বেশি সময় কাটান ঘরের কোণে লুকিয়ে না থেকে নিজেকে সবার সামনে মেলে ধরুন। এগুলোর মাধ্যমে আপনি একাকীত্ব ও হতাশা দূর করতে পারবেন এবং মন শান্তি অনুভূতি পাবেন।
নেগেটিভ চিন্তা দূর করে ইতিবাচক মনোভাবের কৌশল
নেতিবাচক চিন্তা দূর করে ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তোলার কৌশল, হল ইতিবাচক চিন্তা ভাবনা করা, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা, ইতিবাচক মানুষের সঙ্গে মেশা এবং নিজের প্রতি যত্নশীল হওয়া। এছাড়া নেতিবাচক চিন্তার কাজগুলো খুঁজে বের করা, এবং সেগুলোকে যুক্তি দিয়ে মোকাবেলা করার নিজের শখের প্রতি মনোযোগ দেওয়া ।এবং প্রতিদিন কিছু ইতিবাচক কার্যকল জন্য সময় বের করাও সহায়ক হতে পারে ।কৃতজ্ঞতা প্রকাশ আপনার জীবনে যা কিছু ভালো আছে তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন এটি আপনার মস্তিষ্কে ইতিবাচক অনুভূতি তৈরি করতে সাহায্য করবে। ইতিবাচক এবং উৎসাহী মানুষদের সঙ্গে সময় কাটান এরা আপনার জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এটি আপনার মস্তিষ্কে ইতিবাচক অনুভূতি তৈরি করতে সাহায্য করবে।
নিজের যত্ন নেওয়া ,,নিজের পছন্দের কাজ করুন, যেমন বই পড়া বা ছবি আঁকা, এতে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাবেন এবং আবেগ নিয়ন্ত্রণ থাকবে। কিভাবে ভেবে কাজ করা ,,যখন কোন কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হন তখন সমস্যাটি নিয়ে হতাশা না হয়ে বরং সেটি থেকে বেরিয়ে আসার উপায় নিয়ে ভাবুন
ডায়রি লেখা,, প্রতিদিনের ইতিবাচক ঘটনা বা চিন্তা গুলো একটি ডায়েরিতে লিখে রাখুন এটি আপনাকে নিজের ভালো দিক গুলো দেখতে সাহায্য করবে। নিজের সাথে কথা বলা নিজের সাথে এমন ভাবে কথা বলুন যেমন ভাবে একজন ভালো বন্ধুর সাথে বলতেন নিজেকে সমালোচনা না করে বরং উৎসাহিত করুন।
নিজের যত্ন নেওয়া ,,নিজের পছন্দের কাজ করুন, যেমন বই পড়া বা ছবি আঁকা, এতে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাবেন এবং আবেগ নিয়ন্ত্রণ থাকবে। কিভাবে ভেবে কাজ করা ,,যখন কোন কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হন তখন সমস্যাটি নিয়ে হতাশা না হয়ে বরং সেটি থেকে বেরিয়ে আসার উপায় নিয়ে ভাবুন
ডায়রি লেখা,, প্রতিদিনের ইতিবাচক ঘটনা বা চিন্তা গুলো একটি ডায়েরিতে লিখে রাখুন এটি আপনাকে নিজের ভালো দিক গুলো দেখতে সাহায্য করবে। নিজের সাথে কথা বলা নিজের সাথে এমন ভাবে কথা বলুন যেমন ভাবে একজন ভালো বন্ধুর সাথে বলতেন নিজেকে সমালোচনা না করে বরং উৎসাহিত করুন।
মাঝে মাঝে কিছুক্ষণের জন্য শান্তভাবে বসে বা পছন্দের কোন সুন্দর দৃশ্য কল্পনা করে মনকে শান্ত করার চেষ্টা করুন ।সমস্যার যুক্তির সংগত মূল্যায়ন যখন কোন নেতিবাচক চিন্তা আসবে তখন সেটিকে যুক্তিসঙ্গত ভাবে মূল্যায়ন করুন।
এবং অযৌক্তিক হলে তা বাদ দিন, নিজের সাথে এমন ভাবে কথা বলুন যেমন ভাবে একজন ভালো বন্ধুর সাথে বলতেন নিজেকে সমালোচনা না করে বরং উৎসাহিত করুন। এগুলোর মাধ্যমেই আপনি আপনার মনকে শান্ত রাখতে পারবেন এবং নেগেটিভ চিন্তা দূর করে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি করতে পারবেন।
সচেতন জীবনের মাধ্যমে চাপমুক্ত থাকার কৌশল
সচেতন জীবন যাপনের জমা মাধ্যমে চাপমুক্ত থাকার জন্য নিয়মিত ব্যায়াম পর্যাপ্ত ঘুম স্বাস্থ্যকর খাদ্য অভ্যাস সামাজিক সম্পর্ক বজায় রাখা এবং শখের প্রতি মনোযোগ দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ এই কৌশল গুলো মানসিক চাপ কমাতে এবং সামগ্রিক সুস্থতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং সচেতন জীবনের মাধ্যমে চাপমুক্ত থাকা বড় একটি উপায়।সুষম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন। অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার ও চিনি এড়িয়ে চলুন। মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য পর্যাপ্ত ঘুম অত্যন্ত জরুরী । ঘুমের সময়সীমা মেনে চলুন এবং ঘুমানোর আগে মোবাইল বা অন্যান্য ডিভাইস ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
নিয়মিত মানসিক চাপ কমানোর একটি কার্যকর উপায় হাটা দৌড়ানো বা পছন্দের যেকোনো কিছু করা । শারীরিক কাজ করুন প্রতিদিন কিছু সময়ের জন্য হলেও নিজের জন্য সময় বের করুন তাতেও অনেক উপকার আসবে।
সামাজিক যোগাযোগ পরিবার এবং বন্ধুদের সাথে সময় কাটান প্রিয়জনের সাথে কথা বলার সময় কাটানো মানসিক প্রশান্তি এনে দেয় ।এবং মানসিক ভাবে নিজেকে অনেকটাই ভালো লাগে। পছন্দের কাজ যেমন গান শোনা বই পড়া বাগান করা ছবি নিজেকে সময় দিন নিজের জন্য কিছু সময় বের করুন। পছন্দের কাজ করে বা বিশ্রাম নিয়ে নিজেকে রিসার্চ করুন।
সামাজিক যোগাযোগ পরিবার এবং বন্ধুদের সাথে সময় কাটান প্রিয়জনের সাথে কথা বলার সময় কাটানো মানসিক প্রশান্তি এনে দেয় ।এবং মানসিক ভাবে নিজেকে অনেকটাই ভালো লাগে। পছন্দের কাজ যেমন গান শোনা বই পড়া বাগান করা ছবি নিজেকে সময় দিন নিজের জন্য কিছু সময় বের করুন। পছন্দের কাজ করে বা বিশ্রাম নিয়ে নিজেকে রিসার্চ করুন।
নিজের জন্য বাস্তব সম্মত লক্ষ্য ঠিক করুন এবং অতিরিক্ত কাজের চাপ এড়িয়ে চলুন যদি চাপ অতিরিক্ত মনে হয় তাহলে মানসিক স্বাস্থ্য পেশাদারের সাহায্য নিতে দ্বিধা করবেন না। এগুলোর মাধ্যমে সচেতন জীবনের চাপমুক্ত থাকা যাবে।
আবেগ নিয়ন্ত্রণ ও মানসিক চাপ মোকাবেলার কৌশল -শেষ কথা
আবেগ নিয়ন্ত্রণ ও মানসিক চাপ মোকাবেলার জন্য পর্যাপ্ত ঘুম, স্বাস্থ্যকর খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম , শখের পেছনের সময় দেওয়া এবং প্রয়োজন হলে বিশ্বস্ত কারো সাথে কথা বলা এবং কৌশল গুলো মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে এবং চাপ কে কার্যকর ভাবে মোকাবেলা করতে সাহায্য করে। আবার সুজন জীবন যাপন এবং নিজের যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। নিয়মিত ব্যায়াম বা শারীরিক কার্যকলাপ মানসিক চাপ কমানো একটি কার্যকর উপায়। স্বাস্থ্যকর খাদ্য অভ্যাস ও ঘুম সুষম খাবার খাওয়া এবং পর্যাপ্ত ঘুম মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অসম্ভব লক্ষণ নির্ধারণ করলে তা পূরণ করতে পারলে মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাবেন। নিজের প্রতি সদয় হওয়া এবং নিজেকে ক্ষমা করা মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। মানসিক চাপ এটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া কিন্তু এটি নিয়ন্ত্রণে না রাখলে তা গুরুতর সমস্যা তৈরি করতে পারে।
নিয়মিত অনুসরণ করলে আপনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে রেখে একটি সুস্থ ও সুখী জীবন যাপন করতে পারবেন। প্রয়োজনে পেশাদার সাহায্য নিতে দ্বিধাবোধ করবেন না এগুলোর মাধ্যমে আপনার আবেগ নিয়ন্ত্রণ এবং মানসিক প্রশান্তি হবে।
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url